বার্মিংহ্যামে বাংলাদেশের বাচা-মরার ম্যাচে হারের জন্য সেমিফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ। সেই হারের পিছনের কারণগুলো বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বারবার উঠে আসছে টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার নাম।
এই ম্যাচে প্রথম ওভারেই বল করতে এসে ১০ রান দেন তিনি। ডিপ স্কোয়ার লেগে রোহিতের করা পুল বুঝিয়ে দেয় মাশরাফির পক্ষে রোহিতকে আটকানো মুশকিল। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি নিজেকে সরিয়ে সাইফউদ্দিনকে নিয়ে আসেন। কিন্তু তিনিও চার ওভারে ২৫ রান দিলে আবার বল করতে ফিরে আসেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এসেই আবার দিয়ে দেন ১০ রান। তার করা ৫ ওভারে ভারত নেয় ৩৬ রান। দলে বোলার হিসেবে থাকা মর্তুজা পুরো ১০ ওভার বল করার মতো সাহস দেখাতেও ব্যর্থ। রুবেল এবং মোস্তাফিজুরের মতো বোলার দলে থাকতেও তাদের ঠিক মতো ব্যবহারই করতে পারলেন না তিনি।
এই বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচ খেলে একটি মাত্র উইকেট পেয়েছেন মাশরাফি। ১০ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সব মিলিয়ে করেছেন ১৯ রান। ব্যাট-বল সবেতেই ব্যর্থ তিনি। একজন অধিনায়ক যখন সামনে থেকে নেতৃত্ব করতে পারেন না, তখন গোটা দলের মনোবলেও আঘাত লাগা স্বাভাবিক।
২০০৭ সালের বিশ্বকাপে একাই ৪ উইকেট নিয়ে ভারতকে উড়িয়ে দিয়েছিলেন ২৩ বছরের মর্তুজা। কিন্তু এখন সেই মাশরাফি যেন শুধুই সেই দিনের ছায়া। প্রশ্ন আরও উঠছে তার দলের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে। ৪৪তম ওভারে ভুবির প্রথম বলটাই ছয় মেরে পরের বলেও মারতে যান তিনি। এবং বল ব্যাট ছুঁয়ে ধরা পরে ধোনির গ্লাভসে। উল্টো দিকে তখন ২৮ বলে ৩৩ করা সাইফউদ্দিন সঙ্গী খুঁজছেন ম্যাচ শেষ করার। মাশরাফির এই দায়িত্বজ্ঞানহীন শট ক্রিজে নিয়ে আসে রুবেল, মোস্তাফিজুরদের। যাদের ফেরাতে বেশি সময় নেননি এই ম্যাচে ৪ উইকেট নেওয়া বুমরাহ।