বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয় নারীরা। চলতি বছরের ২৬ জুন এ বিষয়ে একটি সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ হয়েছে। নারীদের জন্য সব থেকে নিরাপত্তাহীন ১০ দেশের নাম উঠে এসেছে এ রিপোর্টে।
আসুন জেনে নিই যেসব দেশে নারীরা ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়।
ভারত
বিশ্বে নারীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশগুলোর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ভারত। নারী নির্যাতনের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ভারতের নাম। যৌন নির্যাতন ও হেনস্তা, ধর্মীয় প্রথা এবং শ্রম বা যৌন ব্যবসায় সব থেকে বেশি অত্যাচারিত শিকার হন ভারতের নারীরা।
আফগানিস্তান
যৌন নির্যাতন নয়, এই দেশে আর্থিক দিক থেকে খুবই অত্যাচারিত ও বঞ্চিত নারীরা। এমনকি স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যও যেটুকু অর্থের প্রয়োজন তা থেকেও তারা বঞ্চিত।
সিরিয়া
টানা সাত বছর গৃহযুদ্ধ চলছে এই দেশে। আফগানিস্তানের মতোই এ দেশেও আর্থিক দিক থেকে শোষিত নারীরা। গার্হস্থ্য হিংসা ও যৌন নির্যাতনেরও শিকার হন নারীরা।
সোমালিয়া
ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার এ দেশের নারীরা। এ ছাড়া শারীরিকভাবে নির্যাতিত হন তারা। চিকিৎসার অভাবেও মৃত্যু হয় তাদের।
সৌদি আরব
সৌদি আরব খুবই রক্ষণশীল। পুরুষশাসিত এই দেশে ভেদাভেদের শিকার হন নারীরা। কর্মক্ষেত্র হোক বা বাড়ি— সর্বত্রই শোষিত হন এ দেশের নারীরা।
পাকিস্তান
ধর্মীয় গোঁড়ামির জন্য বহু নারীরা নির্যাতিত হন এ দেশে। এ ছাড়া এখানে ‘অনার কিলিং’-এর শিকার হন বহু নারী। সঙ্গে গার্হস্থ্য হিংসা ও যৌন নির্যাতনও অত্যাচারিত পাক নারীরা।
কঙ্গো
কঙ্গোর নারীরা বীভৎস যৌন নির্যাতনের শিকার হন। রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিচারে এই দেশ বসবাস করার জন্য ‘নারকীয়’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
ইয়েমেন
ধর্মীয় গোঁড়ামি, চিকিৎসার অভাব, শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন এ দেশের নারীরা।
নাইজেরিয়া
মানুষ পাচার, ধর্ষণ, খুন, যৌন নির্যাতনের জন্য এই দেশও রয়েছে তালিকায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
পশ্চিমের দেশগুলোর মধ্যে তালিকায় রয়েছে একমাত্র এই দেশের নাম। উন্নতির শিখরে থাকলেও যৌন হেনস্তা, ধর্ষণের জন্য প্রথম বিশ্বের এই উন্নত দেশও রয়েছে।